ড. বিধান চন্দ্র রায় সম্পর্কে ১০০টি বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর PDF || ড. বিধান চন্দ্র রায় SAQ প্রশ্ন উত্তর PDF || Dr. Bidhan Chandra Roy
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের পোস্টে ড. বিধান চন্দ্র রায় সম্পর্কে প্রশ্নউত্তর ১০০+ PDF শেয়ার করলাম। এই পিডিএফটিতে বাংলা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী, বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ড. বিধান চন্দ্র রায় সম্পর্কে ১০০টি বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো, যা বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অত্যন্ত সহায়ক হবে। তাই আর দেরী না করে প্রশ্ন উত্তর গুলি পড়ে নিন এবং প্রয়োজনে নিচের দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পিডিএফ ফাইলটি সংগ্রহ করে নিতে পারেন ।
ড. বিধান চন্দ্র রায় সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর
১. বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম কবে হয়েছিল?
উত্তর:- ১ জুলাই, ১৮৮২ সালে।
২. তাঁর জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর:- বিহারের পাটনার বাঁকিপুরে।
৩. তাঁর বাবার নাম কী ছিল?
উত্তর:- প্রকাশ চন্দ্র রায় (তিনি একজন আবগারি পরিদর্শক ছিলেন)।
৪. তাঁর মায়ের নাম কী ছিল?
উত্তর:- অঘোরকামিনী দেবী।
৫. বিধান চন্দ্র রায়ের আদি পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তর:- বর্তমান বাংলাদেশের খুলনা জেলার সাতক্ষীরা মহকুমার (এখন জেলা) দেবহাটায়।
৬. তিনি কোন স্কুল থেকে প্রবেশিকা (Matriculation) পাস করেন?
উত্তর:- পাটনা কলেজিয়েট স্কুল থেকে (১৮৯৭ সালে)।
৭. তিনি আই.এ (I.A.) ও বি.এ (B.A.) কোথা থেকে পাস করেন?
উত্তর:- পাটনা কলেজ থেকে।
৮. কত সালে তিনি গণিতে ওনার্সসহ বি.এ পাস করেন?
উত্তর:- ১৯০১ সালে।
৯. কলকাতা মেডিকেল কলেজে তিনি কত সালে ভর্তি হন?
উত্তর:- ১৯০১ সালে।
১০. মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় তাঁর আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর:- অত্যন্ত সাধারণ। তিনি স্কলারশিপ এবং পার্ট-টাইম কাজ করে নিজের পড়ার খরচ চালাতেন।
১১. কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে তিনি কোন ডিগ্রি লাভ করেন?
উত্তর:- এল.এম.এস (L.M.S.) এবং পরে এম.ডি (M.D.)।
১২. উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি কত সালে ইংল্যান্ড যান?
উত্তর:- ১৯০৯ সালে।
১৩. ইংল্যান্ডের কোন বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে তিনি পড়াশোনা করতে চেয়েছিলেন?
উত্তর:- সেন্ট বার্থোলোমিউজ হাসপাতাল ।
১৪. সেখানকার ডিন প্রথমে তাঁকে ভর্তি নিতে রাজি হননি কেন?
উত্তর:- তিনি এশীয় বা ভারতীয় ছিলেন বলে।
১৫. ডিনের অস্বীকৃতির পর বিধান চন্দ্র কী করেছিলেন?
উত্তর:- তিনি হাল ছাড়েননি। পরপর ৩০ বার ডিনের সঙ্গে দেখা করে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে ভর্তি হন।
১৬. ইংল্যান্ড থেকে তিনি কোন কোন বিরল ডিগ্রি অর্জন করেন?
উত্তর:- এম.আর.সি.পি (M.R.C.P.) এবং এফ.আর.সি.এস (F.R.C.S.)।
১৭. কত দিনে তিনি এই দুটি কঠিন ডিগ্রি একসঙ্গে অর্জন করেছিলেন?
উত্তর:- মাত্র ২ বছর ৩ মাসে (যা একটি রেকর্ড)।
১৮. তিনি কত সালে ভারতে ফিরে আসেন?
উত্তর:- ১৯১১ সালে।
১৯. ভারতে ফিরে তিনি প্রথম কোথায় চাকরি নেন?
উত্তর:- শিয়ালদহ ক্যাম্পবেল মেডিকেল স্কুলে (বর্তমানে এন.আর.এস মেডিকেল কলেজ) শিক্ষক ও চিকিৎসক হিসেবে।
২০. পরবর্তীকালে তিনি কোন কলেজের অধ্যাপক হয়েছিলেন?
উত্তর:- কলকাতা মেডিকেল কলেজ এবং কারমাইকেল মেডিকেল কলেজের (বর্তমানে আর.জি. কর)।
২১. চিকিৎসক হিসেবে বিধান চন্দ্র রায়ের মূল খ্যাতি কী ছিল?
উত্তর:- তিনি রোগীর নাড়ি দেখেই নিখুঁত রোগ নির্ণয় করতে পারতেন।
২২. তিনি কি গরিব রোগীদের থেকে ফিস নিতেন?
উত্তর:- না, তিনি প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে গরিব রোগীদের বিনামূল্যে দেখতেন এবং ওষুধ কিনে দিতেন।
২৩. তাঁর ব্যক্তিগত ফিস কেমন ছিল?
উত্তর:- সে আমলে ধনীদের জন্য তাঁর ফিস ছিল বেশ চড়া (প্রায় ৬৪ টাকা), যা তিনি গরিবদের সেবায় খরচ করতেন।
২৪. তিনি কোন বিখ্যাত কুষ্ঠ নিরাময় কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর:- পুরুলিয়ার কুষ্ঠ আশ্রম।
২৫. মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেমন ছিল?
উত্তর:- তিনি ছিলেন মহাত্মা গান্ধীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অনুগামী।
২৬. গান্ধীজি যখন পুনের আগাখান প্রাসাদে অনশন করছিলেন, তখন কে তাঁর চিকিৎসা করেন?
উত্তর:- ডা. বিধান চন্দ্র রায়।
২৭. কার আমন্ত্রণে তিনি চিকিৎসকদের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগ দেন?
উত্তর:- আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির আমন্ত্রণে।
২৮. তিনি কোন কোন হাসপাতাল বা মেডিকেল প্রতিষ্ঠান গড়তে ভূমিকা রাখেন?
উত্তর:- আর.জি. কর মেডিকেল কলেজ, চিত্তরঞ্জন সেবাসদন, কমলা নেহরু হাসপাতাল এবং চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতাল।
২৯. নারীদের নার্সিং শিক্ষার জন্য তিনি কী করেছিলেন?
উত্তর:- চিত্তরঞ্জন সেবাসদনে নার্সিং ও ধাত্রীবিদ্যার বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন।
৩০. তিনি যক্ষ্মা রোগীদের জন্য কী গড়ে তুলেছিলেন?
উত্তর:- যাদবপুরে যক্ষ্মা হাসপাতাল (টিবি হাসপাতাল)।
৩১. ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (IMA) গঠনে তাঁর ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর:- তিনি এই অ্যাসোসিয়েশন গঠনে অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন এবং এর সভাপতিও হন।
৩২. মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (MCI) গঠনে তাঁর অবদান কী?
উত্তর:- তিনি এটি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন এবং প্রথম ভারতীয় হিসেবে এর সভাপতি হন।
৩৩. তিনি কোন মানসিক হাসপাতালের উন্নয়নে কাজ করেছিলেন?
উত্তর:- রাঁচির মানসিক হাসপাতাল।
৩৪. ডাক্তারি পড়ার খরচ কমানোর জন্য তাঁর মত কী ছিল?
উত্তর:- তিনি চেয়েছিলেন চিকিৎসাবিদ্যা যেন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে।
৩৫. তিনি নিজের বাড়িটি নিয়ে কী ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন?
উত্তর:- মৃত্যুর পর তাঁর বাড়িটি যেন একটি নার্সিং হোম বা গরিবদের চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয় (বর্তমানে যা বিধান শিশু উদ্যান ও হাসপাতাল সংলগ্ন)।
৩৬. আমৃত্যু তিনি প্রতিদিন কত ঘণ্টা কাজ করতেন?
উত্তর:- প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা।
৩৭. তাঁর চিকিৎসার সুখ্যাতি ভারতের বাইরে আর কোথায় ছিল?
উত্তর:- সমগ্র ইউরোপ ও আমেরিকায়।
৩৮. তিনি কি কোনো রাজনৈতিক চাপ দেখে চিকিৎসা করতেন?
উত্তর:- না, রোগী ধনী হোক বা দরিদ্র, ব্রিটিশ হোক বা ভারতীয়—চিকিৎসক হিসেবে সবাই তাঁর কাছে সমান ছিল।
৩৯. ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কোনো উপাধি দিয়েছিল?
উত্তর:- চিকিৎসাক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাঁকে 'লেফটেন্যান্ট কর্নেল' সম্মানসূচক পদ দেওয়া হয়েছিল।
৪০. তিনি শেষ জীবনেও কি রোগী দেখতেন?
উত্তর:- হ্যাঁ, মৃত্যুর দিন সকালে (১ জুলাই, ১৯৬২) তিনি বেশ কয়েকজন রোগী দেখেছিলেন।
⬇️ ড. বিধান চন্দ্র রায় প্রশ্ন উত্তর ১০০+ PDF ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে নিচে।
File Details::
File Name:- ড. বিধান চন্দ্র রায় সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর PDF
File Format:- PDF
File Language:- Bengali
No. of Pages:- 08
File size:- 728 kb

No comments:
Post a Comment